ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করেও অনেক সময় ওজন কমে না, যদি কেউ রাত ৮টার পর লাস্ট মিল নেয় বা হেভি মিল নেয় ।

মিম সাওদা

সার্টিফাইড ফিটনেস কোচ

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করেও অনেক সময় ওজন কমে না, যদি কেউ রাত ৮টার পর লাস্ট মিল নেয় বা হেভি মিল নেয় ।

আমাদের শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম (দৈনিক বায়োলজিক্যাল ক্লক) বলে একটি প্রাকৃতিক ব্যবস্থা আছে, যা খাবার হজম ও বিপাকের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে। সাধারণত, সন্ধ্যার পর ইনসুলিন সেনসিটিভিটি কমতে থাকে, ফলে খাবারের গ্লুকোজ দ্রুত মেটাবোলাইজ হয় না এবং চর্বি হিসেবে জমা হতে পারে।

▪️রাতে দেরি করে খেলে ইনসুলিন এবং ব্লাড সুগার বেশি সময় ধরে উচ্চ থাকে, যা ফ্যাট বার্নিং কমিয়ে দেয়।দেরিতে খেলে অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণের ঝুঁকি থাকে, কারণ তখন ক্রেভিংস বেশি হয়।

▪️রাতে দেরিতে খেলে অ্যাসিডিটি, গ্যাস, ব্লোটিং এবং বদহজমের সমস্যা হতে পারে।

▪️খাবার ঠিকমতো হজম হওয়ার আগেই শুয়ে পড়লে গ্যাস্ট্রোইসোফেজিয়াল রিফ্লাক্স ডিজিজ (GERD) বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের ঝুঁকি বাড়ে।

▪️রাতে খেয়ে শুয়ে পড়লে মেলাটোনিন (ঘুমের হরমোন) কম নিঃসৃত হয়, ফলে গভীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটে।

যারা ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং (IF) বা টাইম-রেস্ট্রিকটেড ইটিং (TRE) ফলো করে, তাদের ক্ষেত্রে রাত ৮টার মধ্যে খাওয়া বন্ধ করলে মেটাবোলিজম ভালোভাবে ফ্যাট বার্ন করতে পারে।

তবে, যারা রাত ৮টার পরে জেগে থাকে এবং দেরিতে ঘুমায়, তাদের জন্য খাওয়ার সময় একটু সামঞ্জস্য করে রাত ৮:৩০ – ৯:০০ পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে, তবে খুব হালকা এবং কম কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবার খাওয়া ভালো।