
চা নিয়ে যত প্রশ্ন ও উত্তর
চা নিয়ে অনেক প্রশ্ন থাকে অনেকের।আজকের লিখায় অনেক কিছু ক্লিয়ার হবে আশা করি। আপু, ওজন কমানো শুরু করলে চা খেতে পারবো? ১ চামচ চিনি দিয়ে চা/কফি খাওয়া যাবে? গ্রিন টি

চা নিয়ে অনেক প্রশ্ন থাকে অনেকের।আজকের লিখায় অনেক কিছু ক্লিয়ার হবে আশা করি। আপু, ওজন কমানো শুরু করলে চা খেতে পারবো? ১ চামচ চিনি দিয়ে চা/কফি খাওয়া যাবে? গ্রিন টি

স্ট্রেন্থ ট্রেইনিং মানে শুধু ভারী ওয়েট তোলা নয়। নিজের শরীরের ওজন, লাইট ডাম্বেল, রেজিস্ট্যান্স ব্যান্ড বা মেশিন ব্যবহার করেও এটি করা যায়। মহিলাদের শরীর, হরমোন ও বয়সজনিত পরিবর্তনের কারণে স্ট্রেন্থ

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতে নিয়মিত সঠিকভাবে ব্যায়াম দারুণ কাজ করে। কারণ ব্যায়াম পেশীতে গ্লুকোজ ঢুকতে সাহায্য করে, ইনসুলিনের কাজ সহজ করে এবং ফ্যাট কমায়। কার্ডিও/এরোবিক এক্সারসাইজ এগুলো হার্ট রেট বাড়ায় এবং

➡️ সকালেই প্রোটিন দিয়ে দিন শুরু (20–30g) প্রোটিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেট ভরা রাখে, হরমোন ঘ্রেলিন কমায়, ফ্যাট লস বাড়ায়। যেমন: ডিম, ইয়োগার্ট, ডাল, ছোলা, মুগ ডাল। ➡️ প্রতিদিন

Metabolic Syndrome বলতে এমন একটি অবস্থা বোঝায়, যেখানে শরীরে একসাথে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক সমস্যা ধীরে ধীরে তৈরি হয় এবং শরীরের স্বাভাবিক মেটাবলিজম বা শক্তি ব্যবহারের প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে। এটি কোনো

পেশি শক্তি বৃদ্ধি করে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের মাংসপেশি স্বাভাবিকভাবেই কমতে থাকে (muscle loss). স্ট্রেন্থ ট্রেইনিং এই ক্ষয় কমায় এবং দৈনন্দিন কাজগুলো সহজ করে। অতিরিক্ত ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে

▪️প্রি-ওয়ার্কআউট (Pre-Workout Nutrition) শক্তি (Energy) প্রদান করা মাংসপেশিতে গ্লাইকোজেন স্টোর (Muscle Glycogen Stores) অপ্টিমাইজ করা পারফরম্যান্স ও স্ট্যামিনা বৃদ্ধি প্রোটিন ব্রেকডাউন (Catabolism) প্রতিরোধ ✅ শক্তির উৎস হলো কার্বোহাইড্রেট ব্যায়ামের

➡️ রিফাইন্ড কার্ব: সাদা ভাত ময়দা দিয়ে তৈরি রুটি, পরোটা, পাউরুটি, পাস্তা চিনি ও চিনি-সমৃদ্ধ খাবার (মিষ্টি, কেক, বিস্কুট, সফট ড্রিংক, জুস ইত্যাদি) কর্নফ্লেক্স, ইনস্ট্যান্ট নুডলস, সাদা আটা বা পলিশড

অনেকে ভাবে ওয়ার্কআউটই সবচেয়ে কঠিন কাজ। আসলে না! ওয়ার্কআউট হলো আপনার দিনের মাত্র ৪০–৬০ মিনিটের বিনিয়োগ। যা সত্যিই কঠিন, তা হলো খাবারকে ট্র্যাক করা এবং নিয়মিত সেই অভ্যাস ধরে রাখা।

▪️মেয়েদের হরমোনাল ব্যালেন্স বজায় রাখতে কার্বোহাইড্রেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একদম কম কার্বোহাইড্রেট খেলে থাইরয়েড হরমোন (T3) কমে যেতে পারে, যা মেটাবোলিজম ধীর করে দেয়। ◾পিরিয়ড অনিয়মিত হতে পারে বা মাসিক

ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করেও অনেক সময় ওজন কমে না, যদি কেউ রাত ৮টার পর লাস্ট মিল নেয় বা হেভি মিল নেয় । আমাদের শরীরের সার্কাডিয়ান রিদম (দৈনিক বায়োলজিক্যাল ক্লক) বলে একটি

অনেকে ডায়েট আর এক্সারসাইজ করেও মনে করেন যে “সামান্য” বিরিয়ানি,পোলাও,রেস্টুরেন্টের খাবার ওজন কমাতে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় না। কিন্তু বিজ্ঞানের ভাষায় এটা আসলেই কাজে প্রভাব ফেলে। পনেরো দিনে ১ দিন হলে